শ্রীশ্ীতারকেশ্বর মাহীত্ব, ডট শিব-নংকীর্তন।

স্বভাবমতী, মমাজ-কীলিমা এবং কুমারী, না বিধবা প্রণেতা ীপ্রাণবল্লভ মুখোপাধ্যায় কর্তৃক প্রণীত। হাবড়া স্কুলের শিক্ষক শ্রীজটিলাল দত্ত বি,এ দ্বারা

গ্রকাশিত।

সা পপ

কলিকাতা,

পটলডাঙ্গা, শনৎ কলেজ-ক্কোয়ার, সামাযস্ত্ে, শীনিবারপচন্ত্র ঘোষ দ্বারা যুদ্রিত।

মব ১২১১ লান।

পুজাপাদ মুখোপাধ্যায় মহাশয়ের প্রণীত পূর্বোক্ত পুস্তক- গুলির মধো সমাজ কালিমার প্রকাশক আমি। উপন্দিত পুস্তকথানি আমার বড়ই মিষ্ট লাগিল বলিয়া ইহার প্রকাশ ভার লইলাম। ইনি এক্ষণে প্রাচীন হইয়াছেন, কিন্তু অধ্য- বসায় উৎসাহ বা রচনাশক্তির কিছুই হাস হয় নাই। নিজে তারকেশ্বরে গিয়া এই মঞ্চল সংগ্রহ করিয়াছেন।

ভজটিলাল দত্ব।

বিজ্ঞাপন

গন বহসর শ্রীশ্রী তাঁরকেশ্বর দশনে যাইয়া, ভিন সাধারণের দেবভক্কি এবং বাপাঁর মাহাস্া দেখিয়া মনে বড়ই আনন্দ ভইল। এই সময়ে হাওড়ার চিন্তামনি বাৰু প্রায় পোনেব ষোল হাজার টাকা খরচ করিয়! মন্দির নাঁটমন্দির ছুর্গাবাডী শ্বেপাথর দিয়া বাধাইতে ছিলেন এই প্রকার কাজে এবং নিন্চা নৈমি, ভিক দানে চিন্তানণি দের মদন্ন বায়। শ্রীশ্রীজগন্নাথ ক্ষেতে প্রশ্লাদের মনন সত্র আছে, নিতা শত শত তিথির (বা হয়। প্রতি অনাবশা! পূর্ণিমায় ভার বাড়ীন্ে 'অনাভ-ত অভিথিৰ অবারিত দ্বার। দীন ছুঃখী হইতে ত্রাঙ্মণ বৈষ্ণব পর্যন্ত সম- ভাবে নানাবিন মিঠা পবিতপু হন সহবে এসকল সামানা ব্যাপার নহে অথচ ইনি নামজাদা তই পারেন নাই। তাত এই কাধ্য কাক পক্ষীণ টের পাঁয় নী) এর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাপি নাই; ্ঃণীৰ সন্তান, শৈশবে পিভহীন। সাবেক চাণক্যপ্রোক,। এব, রামায়ণ মহাভারত আপি মাহা এক্ষণে বকর পাজিব মত অগ্রাহ্থ, তাহ হইতেই তরুণ চিস্তানণি উপদেশ সংগ্রহ কবেন। “দেব ছিজে অকপট-ভক্তি, সন্য-নিষ্ঠাই সর্প দশ্মের মূল, পরিশ্রমে লক্ষ্মীর রূপা ইত্যাদি হালকা পোলার ঘন উপদেশ গুলি একব্র করিরা সহা এবং ক্ষমা! লভায় দঢ়রূপে বা'ধিয়া একটা প্রন্দর “ভল। বানাইয়! সংপার সাগরে ভামিয়াছেন। চিন্তানণির

সাক্ষাতে ড় বড় জাহাজ ডিদ্দা কতই ডুবিয়া গেল কিন্ত এ-ভেলা তুবিবার জিনিন নয়। জাহাঙ্গ ডিঙ্গীর ভিতর ফাঁপা! উপরে মহ! জ্বাক জমক। ভেলা ভিতর বাহির ছুই সমান |, ইহার গতি মুছ এবং নিঃখনা। স্থতরাং চিন্তামণির নামডা্ হবে কিসে? ইহাই প্রকুত হিন্দু ভাব এখনও ভারতে এরূপ অনেক হিন্দু আছেন। '. বর্তমান হিন্দু সমাজের অধিকাংশের একটী স্বভাব আছে, তীরা সকল সামগ্রীই নিখুঁত চাহেন। সোণার প্রতিমার পদাস্্বলিতে যদি লোহার নথ থাকে, তবেই তাহা মাটি হইয়! গেল। পরের ছেলের চুলগুলি যদি একটু কট হয়, তবে তাঁর পদ্ম নয়ন থাকিলেও তাহা কোটোরে চক্ষু হইবে মোহাঙ্ মহারাজ সম্বন্ধেও ঠিক এইন্প হইয়াছে সেকালে যে সেই মহাকবি কালিদাস তার কুমার-সম্ভবে, হিমালয় বর্ণনে লিখিয়াঁ- ছিলেন, “অনন্তরত্র গ্রভবম্য যসা, হিমং সৌভাগ্য বিলো- পিজাতম। একোহি দোষ, গুণ সন্গিপাতে নিঃজ্ঞতিন্দ কিরণেঘিবাস্ক

এই বছুকালের পুরাতন কথায় তামাঁদি দোষ লাগিলে৪ হিমালয়ের দূরস্ত হিমে সেখানকার রত্বরাজি তো গলিয়া যায় নাই।

তারকেশ্বরে রেল রোড স্থাপন মোহান্ত দেবের সামান্য কীঙ্তি নহে। ইহা আশুতোষ মহাদেবের প্রতিনিধির মতই কাজ হইয়াছে। অথবা তীর চেয়ে একটু বেশী বলিলে বলা যায়। কেনন!। দেবদেব ভক্কের প্রতি সদাই সদয়। ভক্ত নিকটেই থাকুক বা সহজ যৌষন দূরে যাউক, তিনি স্বয়ং তার

৬০

পাছে পাছে ফিরেন। কিন্তু অতক্তের কোন উপ্ধ্য নাই। আজকাল আবার এই ভাগই বেশী মোহান্তের নো স্থাপনের পর, অনেক অভক্ত কেবল এই কলের গাড়ী, উতীপক্ষে আমো- ককের খাতিরে এই পবিত্র স্থানে যাইয়* রুতর্ধি হইয়াছে যাই- বার সময়ে বগলে বোহল, সঙ্গে বারাঙ্গনা, এবং গাড়ীতে ঢলা- ঢলি করিয়াছে এমন সকল পাষগ3৪ এই পবিত্র স্ানের মাহাক্মোে ভক্ত হইয়া ফিরিয়াছে

পুর্বকালে বাপ!র পুরীতে প্রপাদের কোন বন্দবন্ত ছিলনা ব্ভমান মোহান্ত মধযাঙ্ছে নানাবিধ গিষ্টার ভোগ দিয়া প্রসাদ বিতরণ করিতেছেন | ব্রাহ্মণ সক্জন অতিথি ভিখারী কেহই আন্ত ফিরে না।

মোহান্তের নিংন্বার্থ পরহিত ব্রতের সাক্ষ্য দিবার জন্য শত শহ বালক পাঠ্যপুণ্তক হাতে লইয়া আমিতেছে। এদেনে মূলে স্কুল ছিলনা ঘোহান্ত হইানেই উহার স্থষ্টি।

সব্দভতে তার নে সমান দয়া, তা ভার রুহ ডাকার, খংনাতেই গরিচ্র পাওয়া যায়। তারপর শে দিন সংস্কৃত কলেজে বেদ শিক্ষার জনা কয়েক সহন্্র টাকা দিয়াছেন। মোহাত্তের ধন সম্পণন্ত নমগ্রহ সাধারণ লোকের উপকারের ছনা। প্রার্থীকে প্রভ্যাথ্যান কর এর কোঠীতে লিখে নাই | পুদ্ধরিণীন মাছ, বাগানের ফল, ক্ষেত্রের ফল সমস্ত “দখবানা- নল জনা | জনিদানির প্রজার! সর্ব সুখে সুখী . পর্গুতের সম্মান, বেদ পুরাণ অন্ুণীলনে উৎসাহ দান এবং সাধু রানীর পোষণ আদি কার্গা এর নিহ্য বুত। নাট মন্দিরে বেদ পুরাণ পাঠের বেশ ব্যবস্থা আাছে। স্থতরীং আরে

[ছু

সন্ব গুণানিত বলিলে অত্যুক্কি হয় না। তবে বৃদ্ধ মহর্ষি দুর্বাস। আদিযে পিচ্ছিল ভূমিতে আছাড় খাইয়। সর্বাঙ্গে কাঁদা মাখিয়া ভৃত সাজিয়াছ?লন, সেই পিচ্ছিলে যদি এই আল্ীবন ব্রহ্মচারী কদাচিৎ পা টলিয়! থাকে, তাহা কি একেবারে অপরিহার্য !

বাপার সম্বন্ধে যতদুর জানিয়াছি সাধামতে তাহা বর্ণন কনিলাম। সমাজে একটা চির প্রচলিত বচন আছে, "বিশ্বাসে মিলায় বস্ত, তকে বহুরর" এই পবিত্র ধামেই এই কথার সার্থকতা হয়।

গ্রন্থ রচনা সমাপ্ত হইলে চিন্তামণি বানু ইহার মুদ্রাঙ্কন কাধো অদ্ধেকাংশ অর্থ সাহান্য করিয়াছেন। 'মান্দুল রাজ- ধানীর আপপতি বাবু ক্ষেনকুষ্ণজ মিত্র, এবং ছুজারসাহাবানা জমিদার বাবু প্যারিলাল শান! প্রতিও বিশেষ সাভাঘা করিয়াছেন।

শ্রীপ্রাণবল্লভ শম্ম। মাখোপাধার, নিবাস জনাই, সম্প্রতি হাওডা। ১৮৯২ সাল।

দেখিতে দেখিতে বাড়ে কলির প্রতাপ বেদ বিধি লোপ হ'ল বেড়ে গেল পাপ অজ্ঞান তিমীর ঘোরে ঘুরে নর নারী রোগ শোকে জীর্ণ শীর্ণ তবু স্বেচ্ছাঢারী ভবিষ্য পুবাণ বাণী খণ্ডে সাধ্য কার ? কলো পঞ্চ মহত্রান্দে মচ্ছ অধিকার যেমন ভূপতি কলি মেই মত চেলা হাটে মাঠে পগে ঘাঁটে জুটে গেল মেলা বৃ্তন আইন জারি পুরাতন রদ !

সুত্র করে চণ্ডীপাঠ ব্রাহ্মণ গো-বধ ধরেন বেদের ভুল দাস ঘোঁৰ মিলে! বলেন, “চাষার গীত” ব্রাঙ্ষণের ছেলে বেদোক্ত ধষিরা সব হইলেন চাষা পবিত্র প্রণব হলো হতরের ভাষা প্রাচীন নিয়মে সব পদে পদে দোষ কাজেই কাপর প্রতি সবাই নস্তোষ

৮১১1-48-29 নৃতন নিয়মে সুখ কথায় কথায় বকয়। পাঁজির সঙ্গে শাস্ত্র উড়ে যায় জ্বরে উপবাস নাই বৈদ্যর। তফাৎ কুইনাইন খেলে পায় পরদিনে ভাত নিমেষে মাসের পথে সম্বাদ পাঠায় রেলগাড়ী চড়ে একদিনে কাশী যায় সত্য ত্রেতা দ্বাপরের গেল অহঙ্কার উঠিল কলির নামে জয় জয়কার পরলোকে যেতে আরে। বিশেষ স্বিধা সাত ডিঙ্গা আছে শুনি ভব ঘাটে বাধা পতি পোঁতে নাঁমজাঁদ। পাঁক। কর্ণধার দ্বারে ছাঁরে ফিরে দেখো হাজার হাজার বুক ঢাকা সাদ? দাড়ি হাতে হাড় মালা ছাটা গোঁফ লেড়। মাথা কিন্ত কাছ! খোলা জুটায় ভবের বাত্রী মিঠা মিঠা বোলে “বড় মজাদার পথ ঝট. এসে। চলে নেক। সাদি বত খুনি অবারিত ছার না বনে তালাক দেও দাওয়া নাই তার কণ্ঠ কেটে মাংস খাও কিছু মানা নাই এক জানোয়ার কিন্ত বাদ দিও ভাই পশ্চাতে দ্বিতীয় সেথো৷ বলে ধীরে ধীরে যেওন। উহার সঙ্গে এখ! এসো ফিরে

(৬)

জনমে জানেন চাচা দে মাংসের শ্বাদ তাই বলে দেও জানোয়ার বাদ পরীক্ষা করিয়া দেখ এক তোলা খাও এলোভ ছাঁড়িস্না পরে যেতে পার ষাও জগতে নানা পথে আদি গুরুগণ ! করেছেন ব্রক্ষপদে আত্ম সমর্পন ছঃণগ্রাহী-গুণ আর নাই ভারতে দ্বেষাছেষ ঘটে তাই ভিন্ন ভিন্ন মতে ফলে কিন্তু কোন পথ মন্দ নয় মূলে, আদি গুরুগণ যাহ। গিরাছেন খুলে উঈষা, মু, মহম্মদ, গৌর, বুদ্ধ আদি সর্দভূতে আত্মজ্ঞান প্রেম ভক্তিবাদী এখনে পবিত্র যাত্রী মিলে শত শত, কাখল দোষে ভক্তি ভাগ বেশি অপঙ্গত

পবিত্র নকল মত সত্য যার মূলে কিন্ত সে পবিত্র পথে করজন চলে ? পবিত্র গৌরাঙ্গ প্রেমে জড় নেড়া নেড়ী। গৌতমের কীর্তি লোপ বৌদ্ধ হস্তে পড়ি বিশেষতঃ ব্রাহ্ম-ধশ্ম সর্ব সারাৎ্লার | হাবুডুবু ষনকাদি খেলেন সাতার ইহাতেও দেখা যায় ভাক্ত ভাগ বেশী ত্বেষাদ্ধেষি অস্তরেতে, বান্ছে মহা রুষি

0৪) দেখিয়া কলির কাজ শিব দয়াময় 1 অবোধ জীবের প্রতি হলেন সদয় পুস্তর মুরতি পরি মাঠে বক্ষ মূলে | বসিলেন সদানন্দ বিজন বিরলে প্রথমে দিলেন দ্বেখা, গোপ-বাল-দলে নাজানি দেখিল তারা কোন্‌ পুণ্যফলে অপার বাপাঁর লীল! বুঝিবৰো কেমনে মাখা মাঁখি ধুলা খেলা রাখালের সনে যোশীল্্র মুনীজ্্র ধারে ধ্যানেতে না পায় রাখালে তাহার শিরে ধান কুটে খায় মস্তকে হইল ক্রমে গভীর গহ্বর কেজানে তথাপি কিসে আনন্দে বিভোর হাড় স্বলি যাঁয় শুনি রাখালের খেলা তাই তারে বলি ক্ষেপ মহেশ্বর-ভোলা নতুবা কি বুৰ্ধি কিক ঈশ্বরের কার্ধ্য 1 হদয় কন্দরে ধার দয়া অনিবার্ধয অর্থ্য বলি লন সেই কোটা ধান গুলা হাসুক পাঁষগুড কিন্তু তার এই লীল। ভাগ্যবতী ধবলাঙ্গী সুরভী তথায় বরষিল ক্ষীর ধার। বাপার মাথায় তাড়। দিলে নাহি ফিরে না গুনে বারণ ) কি কাজ দোঞ্ধরী কিব। বৎস প্রয়োজ্ঞন

৫) অগ্রে দ্বিল অচর্বিত নব-ভুর্বাদল নিরখি পশুর পুজা মুগ্ধ আখগুল নিজে করিলেন মহ পুক্ষা আয়োজন মেঘের চাদোয়া আনি খাটান পবন নামিল জল-কুঞ্জর ভাগীরঘী বক্ষে শুণগ্ড দোলাইয়! জল তুলে অস্তরীক্ষে জলস্তস্ত মত তাহা বড় চমৎকার একালে হইলে “পম্প নাম হতো তার পম্প, স্তম্ভ, যে যা বলে ক্ষতি নাহ তায় ঢালিল বিমল ধার। বাপার মাথায় আহ্লার্দে পবন দেব নাচিয়! নাচিয়া | নব নব বিলুদল দিলেন ঢালিয়া গাছে গাছে বেড়াইয়। নানা ফুল তুলি মহেশের পাদোপান্তে দেন পুস্পাগ্ুলি হান্যমুখে অশ্বরে গম্ভীরে কাদম্িনী বাজায় স্বদজ যশ্ত্ে বোম্‌ বোম্ঠ ধ্বনি বিদ্যুৎ হীপক-মাল। ম্বহস্তে লইয়। | আরতি করেন ইন্দ্র শুন্যে দাড়াইয়া তুষ্ট হয়ে ইন্দ্রে বাপ দিলেন বিদায় বলিলেন কাজ নাহ এপ পুজার ঘটাইল কলিরাজ বিষম জঞ্জাল ইচ্ছা ভাই মহীতে রহিতে কিছুকাল

€৬ ১) এর পে গ্রাচ্ছন্ন ভাবে দিন গত হয় ভাবিলেন কার গুতি হবেন সদয় নন্দীরে দিলেন আজ্ঞা লইতে সন্ধান | মাঠ পারে পলি-গ্রামে কেব। পুণ্যবান নাস্তিক তুলিবে তর্ক এই কথা শুনি তবে নাকি শঙ্কর সর্কজ্ঞ ছুড়ামণি স্বয়ং সঞ্কাশ যদি সবার অস্তরে | তবে কেন তত্ব নিতে পাঠান অপরে ভক্ত বিনা এ-মন্স বুঝে না অন্যজনে | আদেশ পালনে কত সুখ হয় মনে বাড়াতে ভক্তের মান তিনি চিরদিন অকারণে হতে চান ভক্তের অবীন নতুবা ব্রঙ্গাণ্ড প্রতি লোম কুপে ধার তাঁর অগ্জোচর বিশ্বে কোন্‌ সমাচার আনন্দে চলিল নন্দী গ্রাম অভিনুখে প্রথমে ব্রাঙ্গণপলী সাবধানে দেখে ছদ্ম-বেশ ক্রি কায় কটিতে কৌপীন ক্ষীণ কঠ জ্বরাজীর্ণ নন্দী দিন হীন অতি কষ্টে বিপ্র গৃহে যায় যষ্টি ভরে “অভুক্ত অতিথি” বলি দ্াড়াইল দ্বারে “হবেনা এখানে, ফিরে দেখ অন্য ঠাই প্রসব হয়েছে গাভী ভিক্ষা দিতে নাই॥

গৃহিণীর শুনি এই মধু-সম্তাষণ

উদর দেখায়ে নন্দী করিল রোদন

“দুদিন অভুক্ত দেও গোটাকত ভাত পাতিয়াছি বহিদ্বারে কদলির পাত “হবেন। এখানে অন্তর বাড়ন্ত তগু,ল |” অতিথি বলিল তবে দেউ ফলমূল

“কে পাড়ে গাছের ফল £ ঘরে কেহ নাই ॥? নন্দী বলে আজ্ঞ। পেলে নিঙ্গে পেড়ে খাই ধন পুত্র লক্ষ্মী পাইয়াছে। গুণব্তী |

কেমনে ফিরাতে চাও অভ্ভুক্ত অতিথি রাগভরে গৃহিনী দিলেন গালাগালি

ধন পুত্র গ্রাতি তুই কেন চক্ষু দিলি এতক্ষণে বিগুদেব হলেন বাহির অতিথির আচরণে বদন গম্ভীর

“অতিথি নবার গুরু?” অসভ্য আইন গুভক্ষণে বাতিল হয়েছে বন্ধ দিন

পর দ্রব্য লোভী, যারা ভিক্ষা মেগে খায়) চোরের সামিলে তারে শাস্তি দেওয়া যায় উচ্চ কণ্ঠে চৌকিদারে ডাকি সেই ক্ষণে | বলেন» চালান দেও অতিথি রতনে গতিক দেখিয়। নন্দী দিলেন গা-ঢাকা চারি দিকে ছুটাছুটি আর নাই দেখ!

চি

৮) | সুশিক্ষ। পাইয়া নন্দী 'অতিথি সতকারে ধীরে ধীরে যায় চলি রাজ-দরবারে নবাবী আমল কাকি করে রাজ-কাজ কাব! চাঁপকান পায়ে শিরে সাচ্চা-তাজ 7 অনুগত গাজা গুপ্ত পুর! এজলাষ যবনের মুখে হাসি কাফের নিরাশ | বগলে আইন বই উকীল মোক্তার অতি সুক্গ্স চুল চেরা কাজির বিচার গুড় গুড়ি নল মুখে তাকিয়া হেলান ইত্যার্দি অনেক বিচারের অনুষ্ঠান অপুন্রা ষোড়শী বাঁল। বিধবা শৈশবে গন্ডবতী সম্প্রতি সে, বুঝি অনুভবে শাশুড়ী দেবর সহ জ্ঞাতি বন্ধু মিলে কেড়ে নিল গতিধন এই তুচ্ছ ছলে কাজি বলিলেন, ভূমি নেকা কর আগে পাইবে পতির ধন এক আনা ভাগে “হিন্ছুবাল। নেকা নাই*' বলিল উকীল ছ্বিচারেনী হয়েছে, পাবে ন। এক তিল বিধবা- বিবাহ-বিধি ছিলন। সে কালে রাখে গর গর কাজি পুনরায় বলে সর্ধন্ব পাইবে তবে বিধবা রমনী হেদুর ব্যবস্থা পঁখধি আমি খুব জানি

0৯)

দেবরের পক্ষে ছিল উকীল হাজির। মন্দুর বচন খুঁজে করিল বাহির স্প্টাক্ষরে স্মতি শাস্ত্রে লিখেছেন তিনি পাবেন। পতির ধন শয্যা কলঙ্কিনী কাজি বলে, থাক্‌ থাক্‌ শুণিনে ও-কথ। | লিখিয়াছে মনত তার মুণ্ড আর মাথা বিধবা-বিবাহ বদি শাস্ত্রে নিবারণ কোন্‌ সুখে কেড়ে লবে পতি দত্ত ধন টানিয়। ছিড়িতে চায় সংহিতার পাত মান! করে মুন্শি জুড়িয়া দুদী-হাত . দু-পা'ত ছিড়িয়া কেন, মিছ! বদ-নাম। স্বহস্তে হেছুর ছেলে পোড়াবে তামাম সমাজে ঘুরিয়া আমি লয়েছি সন্ধান জন কত বুডার মন্তুর দিকে টান তারাই সকল কাজে বাধায় জঞ্জাল |? কিছুই বুঝেন! কিন্ত করে গোলমাল & আগে ছিল এক চেটে মনুর পসার সহিল ভারতবাঁনী মহা অত্যাচার নিঠুর হুকুম তার, উপবাস নিত্য পদে পদে জরিমান। কত প্রায়শ্চিত্ত মরিয়। হয়েছে তাই দল দল ছোঁড়া মোহাড়। দিয়াছে রণে নিয়ে ঢাল খাড়।

১০) ইহা ছাড়া আরো বীর আছে তলে তলে গায়ে ঢাকা নামাবলি মুরলী বগলে সমাজের বাকী লোক ছুভাখে বিভক্ত অকম্মণ্য গুলা নাকি মনু অনুরক্ত স্বার্থবাগীসের দল শ্রেষ্ঠ অন্য ভাগে যেদিকে লাভের অঙ্ক সেই দিকে লাগে 1 সিয়ানা চতুর এরা মান্য র্ধ ঠাই | না পারেন হেন কম্ম প্রথিবীতে নাই রাজ-দরবারে এরা বিপদে স্বহায় যাচিয়া নিজের মাথ। দেয় পর-দায় নন্দী ভাবে অন্বেষণে বথা কেন কষ্ট ধশ্্ম পথে ব্রাহ্মণের নমুনা যথেষ্ট এ-হেন ব্রাক্ষণ যথা দেন নীতি শিক্ষা কিকাজ তথায় আর বিশেষ পরীক্ষা বাম দিকে ইতর জাতির বসবান সম্মুখেতে মাঠ পথে চলে শিব দাস মাথায় ধানের বোঝা বলিষ্ঠ শরীর আসিতেছে মাঠ হতে কৃষক আভীর £ কিজানি কিরাগে রবি অশ্থি অবতার নিদাঘ মধ্যাক্কে দ্ধ করেন সংসার শুকায় গায়ের রক্ত বন্গমতী ক্ষীণ ভয়ে জড়সড বারু গতি শক্তি হীন

১৯১)

নিরখি হৃদয় নাথে নিঠুর নিদয় দয়াবতী প্ররুতীর আকুল হৃদয় জনকের কোপে রক্ষা করিতে তনয় মাতা বিনা যাচিয়া মধ্যস্থ কেবা হয় আবরিয়া মেঘাম্বরে চারু মুখ খানি শ্যন্যে বায়, কোণে দেখা দিলেন জননী ॥& মায়ের আচল ধরি চঞ্চল পবন

নেচে নেচে পাছে পাছে ছুটিল তখন পন্তি পত্বী দেখা শুণ। হলে। দুজনার ! ঘুচেখেল রাগতাপ জুড়ালে! নংসার ॥. কে বুঝিবে জননীর সে৯ পরিমাণ |

নিজ অঙ্গ দগ্ধ করি বাঁচান সম্ভান 1 ঢালিলেন ন্সেহনীর সংসার ভামিল। জীব জন্ত পণ্ড পক্ষী আব।র হাসিল ছন্স বেশী ছিজে গোপ বলে ভক্তি ভাবে এন্র্োগে-ঠাকুর এদিকে কোখা যাবে নন্দীবলে অমি উদাসীন নিরাশ্রয় | গৃহস্ছের গলগ্রহ ফিরি দেশময়

অতিথি ব্যবসা বাপু ! বড় জুয়াঢুরি। ব্রাহ্মণের নিকটে খাটেন। ভারি ভুরি “দূর দূর বলি তারা দিল তাড়াইয়] | ফুল নাই আর হেন স্থানে দাঁড়াইয়া

€১২)

বিপ্রাহীন গ্রাম বথ। শুদ্রের বসতি মানিবোন। ঝড় বৃষ্টি বাবো শীক্মরগতি | ব্রাহ্মণের মত নহে তাহার। নিয়ান। অতিথি দেখিলে ভক্তি করে ষোলআনা অবোধ অধম জাতি চাতুরি না বুঝে ব্রাহ্গণ না থাকে বদি যাকরি তা সাজে হানিয়। ক্লুষক তারে করিল প্রণাম | পরিচয় দিল আপনার নাম ধাম

বলিল অধম আমি হীন গোপ-জাতি | দয়া করি মম গুহে হউন অভিথি

নন্দী বলে যেতেপারি আছি উপবাসী। না থাকে যদ্যশি তোর, দ্বিজ প্রতিবেশী কলির ত্রাহ্ধণ দেখে ভয়ে কাঁপে হিয় পরকে মজায় আগে আপন মজিয়। নিজের সুবিধ! খুজে শাস্ত্র অর্থ করে বাহিরে ভড়ং পার নাত্তিক অস্তরে দৈবে যদি হাতে লাগে দশ্মিণ। দ্বিগুণ স্মতির বচন কেটে ঘষে দের চুণ সাক্ষী তার যার তার গলে যজ্ঞ সুত্র ছলে বলে সমাজে পতিত ঠবশ্য পুত্র গোয়াল! ঝলিল দেব ! আমি হীন জাতি লেখাপড়া শিখিনাই গোচারণে প্রীতি

:3

বিপ্রের পবিত্র বাক্য বুঝিনা জানিনা] কি কাজ সে গোলযোগে কাণেও স্নিনা ছোট লোক চাঁবা সামি থাকি এক পাশে নিশায় ঘুমাই ঘরে দিন কাটে চাষে শত্রু নয় মিত্র নয় বিপ্র গ্তিবেশী সাল বাসে তার মোরে আমি ভাল বালি পাপ পুণ্য কারে বলে কিছুই জানিনা ধন্মাধশ্ন মনে ভেবে সংকল্প করিনা জীবন জলবিশ্ব নব ফল্সীকার | দরদ করিতে এতে ইচ্ছা হয় কার £ বকিতে পারিনা এর কন্ডাদি কোণায় তথাপি চাতক প্রাণ তার দিকে ধার বে দিকে ফিরান তিনি সেই দিকে চলি বিপদে পড্ডিলে তারে শিব শিব বলি তার ইচ্ছ। অনুনারে করি নিনল্ণ | ভাঙার দোহাই, কর আতিতথ্য গ্রহণ চমকিল শিব দান বাক্য নাই আর ভাঁবিল গুক্ুত ভক্ত এই তে! বাপার আনন্দেতে গোপ স্তে করি আশীর্বাদ | বাপার চরণে নন্দী দিলেন সংবাদ নুকুন্দ সামান্য জাতি গোপের তনয় ইচ্ছা যদি হয় বারে হউন সদয়

২)

১৪ )

£রাচারে রত যত ব্রাহ্মণ সম্ভাঁন | তাদের আশ্রয়ে গেলে থাকিবেনা মান ঈষৎ হাসেন দেব নন্দীর কথায় ! মান অপমানে তার কিবা এসে যায় দিবসে তপন তাপে বস্ুধা কৰণ নিশাভাঁগে গোপ-স্ৃত ঘুমে অচেতন নিষ্পাপ-চরিত্র চাষা হৃদয় বিমল স্বপন দেবের মনোমত্ত লীলা স্থল মুনুন্দ আনন্দে দেখে বিচিত্র স্বপন রষভ বাহনে শুন্যপথে পথ্গানন মুরত্তি রজত-গিরি অতি জ্যোতির্ময় বেদে অগ্পোচর* কিব। দিবে! পরিচয় & অনাদি অনন্ত তিনি নিত্য সনাতন নখরে রবির হার উজলে চরণ কটি তটে পরিপাটি বাঘছাল আট! অনম্ত পন্নগ দোলে গলে যোগ পাট। দিক-করী-কর ভ্রম হয় জটাক্ঞুটে বিমল জাহুৃবী তায় উছলিয়া উঠে অতি ভগ্র ব্রন্মতেজে ঝলসে নয়ন চাপিয়! মুদিল আখি গোয়াল নন্দন মাভৈং মাভৈঃ তারে বলেন শঙ্কর | এসেছি এদেশে বাছা ! তোরে দিতে বর

১৫)

পায়ের নিকটে মাঠে আছি কিছু কাঁল। গাভী তোর ছুধ দেয়, তগুল রাখাল ধবলী কপিলা তোর অতি চমত্কার নিত্য ঢালে ক্ষীর ধার! মস্তকে আমার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাখাল বালক গুলি জুটে অতি কষ্টে পুজা করে মাঠে ধান খুঁটে পুজার ব্যবস্থা তুমি করহ আমার তোঁম। হতে হবে যত পাতকী উদ্ধার ভীত চিত মুক্ন্দ বলিল স্বভুবাণী

হীন জান্তি আমি হে ! পুজার কিবা জানি £ গ্াণপণে করি যদি দ্রব্য আয়োজন বল প্রভু কোথ। পাবো পুজক ব্রাহ্গণ গোরম মিসালে পচা জল দিলে খায়। বাড়ীতে চরণ ধুলে কিন্ত জাতি যায় নাবুঝে এসেছো গ্রাভু অধামের ঘরে নাজানি তোমারে কালি ফেলে কোন্‌ ফেরে? কিজানি ত্রাঙ্গণগণ যদি ছল ধরে

পুজা বন্ধ হবে তুমি হবে এক ঘরে : আশখ্িনে শুদ্রের গুহে এলে ভগবতী গ্রতিমা দেখিয় বিপ্রা করে না প্রাণতি শালগ্রাম-শীলা যদি শুদ্র গৃহে আনে শুদ্ধ করি লয় তারে পঞ্চ-গব্য ক্সানে,

ডিও 2,

স্বচক্ষে দেখেছি সব শিখিয়াছি ঠেকে | তাঁই বলি সাবধান পাছে কেহ দেখে হানিয়! শঙ্গুর কন শ্নরে বাছনি আমার দ্বিতীয় দেহ দ্বিজ-ব্রন্গ-জ্ঞানী তা-ছাড1 গায়ত্রী-ভীন দ্বিক্গ-ভ্রাচার | আঁনিয়াছি মে শুলাঁরে করিতে উদ্ধার উচ্চনীচ সর্কজাহ্তি আম!র নমান ভক্কিমূলে কেন! থাকি ভক্ত মম আণ বড ছোট দেখিষা। করি না পক্ষপাৎ্ষ সমভাবে লনো প্ঙ্গা বুকিবে পশ্চাৎ ভক্ক্িভানে শুদ্র মম শিনে দিবে হাত অভক্ত দ্বিজের পক্ষ কণ্টক আঘাত ভয় নাই আয়ে!ক্তন করহ ত্বরায় আনিবে ত্রাঙ্গানগণ আমার আজ্ঞায় হরিহর ক্রান্সণ একই তনু তিন

এই হেতু ভেদ জ্ঞান করে না পাবীণ পরাতে উঠ মুকুন্দ ছুটিল মাঠ পানে চ!রি দিকে ঘৃুর ফিরে দেব অন্বেষণে প্রস্তর মূরতি বেড়ি রাখাল খেলায় সেদিকে মুকুন্দ ঘোষ ফিরিয়া না চার স্বন্ন-দৃষ্ট মহামুত্তি দেখিতে না পায় নিশ্বাস ছাড়িয়া ছুঃখে বলিল ধরায় &

€১৭)

নিরাশ হইয়া ভাবে গোপের তনয় বাতিকের খেলা স্বপ্ন সত্য কু নয় অধম পাপিষ্ঠ আমি হীন গোপ ক্গাতি। পাইবে! বাপার দেখা অসম্ভব অতি কিন্তু তবে কেন ভার এরূপ ছলন। |

ক্ষুদ্র মানবের প্রতি রথা বিড়ম্বন।

যে মুর্তি ধরিয়া দেখা দিলেন স্বপনে দেখা দূরে থাক কু মনেও ভাবিনে লোকে বলে দয়াময় সেবক-বঙ্সল ভাগ্যবান ভাগ্যে বুঝি ফলে পে সকল কম্ম করি ফল পায় সে তো জান। কথা তাহাতে বাপার আর কিবা আধিক্যতা দেনা শোধ দিলে তারে কেবা বলে দাতা কম্ম হীনে দয়! বার ন্তিনিই দেবতা শ্গপনে চরণ দেখি মজিন্ুু আশায়

দরে ফিরে যেতে আর প্রাণ নাহি চায় হত্যা! দিবে! তাঁর পায়ে পড়ে রবে। বনে | না পরিল 'জাশা যদি কি কাক জীবনে নিকটে রাখাল দল ক্ষেতে পান খোটে মুকুন্দের দশ! দেখি এলো সব ছুটে

বলে উহারে ওরে দেখ দেখ ভাই। পড়ে আছে মড়া হেন বাহা জ্ঞান নাই &

(১৮ 9

কেমন ঘ,ম ভাই আধ আখি মিলে) তারা ছুটে। উদ্ধ দিকে উঠিতেছে ঠেলে উত্তর দিল ন। গোঁপ রাখালের ডাকে নিশ্বান পরীক্ষা করে হাত দিয় নাকে ওষ্ঠ নড়িতেছে দেখি, জল দিল আনন মু রবে বলে গোপ শিব শির লাণী শিবু নামে শিশু এক গোপন চরায় | রাখালেরা ভাবে বুঝ তাহাকেই চায় “ডেকে আনি তারে? বলি কে বায় জুটে) ধরাধরি করিতে জাপনি গোপ উঠে ভার্গিল পরম ধান হউল চঞ্চল |

কোথা বাপা কই বাপ। বলিয়া পাগল কোথারে ! রাখাল বাপ ! ল্রকাণ্ড না আর কারে অগ্থয দিন তোর। দেখা একবার 1 এইতো ছিলেন তিনি চন্দের উপর

নয়ন মেলিতে কেন হলেন অন্তর

মিথ্যা অপবাদ শুনে শঙ্কিত রাখাল বলে, বাপু ! মিছে কেন বাধাও জঙ্গাল জনমে জানিনে মোরা অর্থ্য কারে বলে স্বপনে দেখিনে কু বাপা নামে ছেলে আমরা কজন জুটে গোধন চরাই। পাথরে ভানিয়। ধান ভাগ করে খাই

34

বাপা। নাম ছেলে যদি তোমার রাখাল তবে কেন এলো মেলো। ফিরে গোরু পাল হিতা কেন আনে হেখা ধবলী তোমার পান-কোটা পাথরে ঢালিভে ছুপ্ধ ধার চমকে মুবন্দ শুনি, রাখালের বাক্য আপস মিথ্যা নয়, এক অৎশ হালে একা বাঞজভাবে এক দৃত্ি চাহে শীলা গাতি | দেখিন ধবলী অআ।নিতেছে দন্দ গতি »ন্দর বিপুল উপ্নঃ ক্সীর ভরে ভারি পাছে পাছে আছে কিস্তুপিয়েনা বাছণি॥ পেটের আলা ভণ-দ্রর্দা খটে খায় ।? দণে ক্গাথ্ে শীলা পানে ফিরে কফিনে ঢায় এদিকে শুনিল শ্যান্যে ছা ঘণ্টা বেল কক্ষ তাল, গাল বাদাও বোম, ন্যোম বোল অশরীরী বেদমপ্র হয় উচ্চারণ “নামে জীনিবায়া শন্দে জু়ালো। শ্রবণ পাইল ধবলী যেন সঙ্গে কাহার | সনমঘ়ে শীল। শিরে ঢালে শরীর পার গদগদ ভাবে গোপ ক্লুভাগলি হয়ে *দেখা দেও” বলি ভূমে পড়িল লুটায়ে পাথর দেখিয়া তার মন কই উঠে বিশেষে গহকণর যুক্ত গেছে চটে ফেটে

(২ এ.)

কেঁদে বলে, নে মূর্তি কোথায় ত্রিপুরারি ? পাথরে ভুধের ভেক্ষি বুঝিতে না পারি শিবরাত্রে দয়া তব হীনজাতি ব্যাধে 1 দান বঞ্চিত তবে কোন্‌ অপরাধে পঞ্চ পক্ষী রহে তব কুপায় বঞ্চিত নতুবা গাভীর ছিল কি পুণ্য সঞ্চিত কি পুণ্যে বিমল জ্ঞান পেলে বৎসতরি - অগ্র ভাগে পুজা সারি প্রনাদ ভিখারী এতক্ষণ মুনিব্রত সাধিল যতনে

লাঙ্গল নাড়িয়া পিয়ে পুজা অবসানে মরি মরি ধবলী করিলি কোন পুণ্য | মাথায় চরণ দেমা ! হই আমি ধন্য নালাগে শরীর যদি সেবায় বাপার কিজন্য বহন করি মাংস পিও ভার অনশনে এই স্থানে ত্যক্তি কলেবর

যা ইচ্ছা! করেন পাছে করুন শঙ্কর বাপার ইঙ্গিতে নন্দী কাণে মন্ত্র দিল। আনন্দেতে গোপ পুত্র চাহিয়া দেখিল 1 প্রস্তরেতে সপ্তাকাশ হলেন শহর কোটি ুর্য্য প্রভা জিনি দীণ্ড কলেবর আনন্দে মুকুন্দ ঘোষ ভূমিতলে পড়ি বদনে ন। সরে বাক্য যায় গড়া গড়ি

685

বর দিতে চাহিলেন অখিলের পি গোঁপ বলে শ্রীপদে থাকুক চির মতি একথ। লাগেনা ভাল আমাদের কানে অবোধ বলিবে লোক আভীর সম্ভানে এমন সুযোগ পেয়ে ছাডিল সহজে বাপার করুণ লাগিল না কোন কাছে সমশ্যাঁর নংশয় ভগ্জন কেবা কারে মাঁরা-বদ্ধ জীব মোরা লোভ বরে কাটিলে ম'য়ার বুম হলে দিব্য জ্ঞান | পাপ প্রুণ্য সুখ ছুঃখ একই মমান হজিল গোপের শুত হর পাদ পঞ্মে। নিত্য মাতোয়ারা সেই মকরন্দ সম্যমে কি আছে অভাব তার চার কোন্‌ বর তার চক্ষে তুণ তুল্য জগত শন্দর

পর দিনে করে গ্োপ পুজা আয়োজন ধুপ দীপ নৈবেদ্যাদি, ত্রাণ ভোজন শআানন্দে ভাবিল দেশ এলে। ভক্ত কুল খলের যাতন! বাড়ে হিৎন।য় হারুল নরকের কীট কি সুধার স্বাদ জানে নহজ্জে বুমত্তি হয় কম্ম স্ত্রেটানে

দেব দ্বেধী পাষ শু নাস্তিক দল কুক্ত ) জীয়ন্ত পিশাচ কিস্ত ন্র-দেহ যুক্ত

২২)

দিন কত লম্ফষ ঝন্ফষ মহ! ভুল স্থুল তার পর ক্রমে ক্রমে সমূলে নিশ্ঘবল কেহ কুঠে কেহ পঙ্গু অন্ধ কত জন। মৌবনে বার্ধক্য ভাব অকালে মরণ ! প্রথিবাড়ে ছাড়িলাম তাদের প্রসঙ্গ | দেখিতেছে নিত্য লোক বঙ্গে কত রঙ্গ যে আনে বাপার কাছে এরা দেয় বাধা ফেরে ঘোরে কথা কয় মনে লাগে ধাধা ললে, “বেটা শৌয়ালা বিষম ধূর্ত ভণ্ড ভুলাইয় কড়ি নিতে করেছে এ-কাগ্ু দেবতা তেত্রিশ কোটি ব্রাহ্মণের কেন। শ্দ্র ছলে তাহাদের দেবত্ব থাকেন৷ চিরকাল আছে পড়ে সামান্য পাথর রাখালে কুটিতো! ধান মাখাঁয় গহ্বর দেবতা হইলে কি শুড্রের হাতে খায় সহজ বুঝেন। লোক ধুর্ভের মায়ায়

দিন কত পরে এক সিদ্ব-ব্রঙ্দ খষি চতুর্দশী নিশিযোগে উপনীত আসি বাপারে প্রণাম করি বিনয়ে শুধান | কোন্‌ হেতু দাদে দেব ! কাননে আহ্বান বাপা কন মোহান্ত হইয়া! কর বাস। যতনে জগতে কর আমারে গকাশ

২৩)

হেন দীক্ষণ শিক্ষা দেও বাড়ে প্রেম ভক্তি মাহাজ্য প্ীচার হেতু এই ভাল যুক্তি তাপষ বলেন দেব ! একেমন কথা | পুজার জন্যতে কেন এতো মাথা ব্যথা বিধি বিষু্ লালায়িত পদ রেণ, তরে তোমার মহিমা কি বুঝিবে মুড নরে £ বিধি বিষ মহেন্দ্র তোমার পদানত ছার নর জন্য কেন এতেক বিব্রত যাচিয়। লইবে পুজা বল কোন দায় বৈদ্য কোথ! রোগী খুঁজে শুষধ খাওয়ায় বাপা কন্‌ কলি তেজে নরজাতি অন্ধ

না পারে চিনিতে মোরে লাগিয়াছে ধন্দ লইয়া আমার নাম দেও পরিচয়

পবিত্র প্রস্তর রূপে আমার উদয় তাপস বলেন আমি দাস অনুগত |

আমা প্রতি কেমন আজ্ঞা অসঙ্গত হেন অসম্ভব শুনি নাই কোন কালে দেখিতে মধ্যাহ্ন সুর্য কেবা দ্বীপ জালে £ স্বয়ং সপ্রকাঁশ তুমি বিশ্বের আধার দেবতা তেত্রিশ কোটি বিভুত্তি তোমার সর্দ স্থলে বিদ্যমান তুমি হে গ্লোসাঞ্ি | তুমি বিনা জগতে কিছু মাত্র নাই

২৪ )

নাজানে কে জগতে মহিমা তোমার ক।র কাছে পরিচয় দিবে। আমি কার বিশ্বেশ্বর বিশ্বাণার প্রস্তরে নংযত কেমনে বলিবে। হেন বাক্য অনঙ্গত অপীম ব্রক্গণ্ডে ধার আটে নাই স্হান ক্ষুত্রশীল-খণ্ড কি তাহার পরিমাণ মহিমার হানি হয় বলিলে একথা ক্ষমা দেও ভাবিতে মরমে লাগে ব্যথ! কত কষ্টে কাটিন্ছি নংসাঁরের মায়। | বড় আশে আশ্রয়ে লয়েছি পদছা য়া আবার নাকিবে। নং হইয়া মোহান্ত | বিষিয়ে জড়িত হয়ে হবে মতিভ্রান্ত না জানি শান্তি প্রজ্ত কোন অপরাধে | জেনে শুনে কেমনে ফেলিতে চাও ফাঁদে বিজনে আনন্দে থাকি সমাধি সাধনে সুধা ফেলি আলিব বিষয় বিষ পানে ভয় হয় বলিতে হে কথা হবে কটু হরি হর দুজনেই ছলনায় পটু তাই বলি মিছ! কাজে ঘুরাওনা প্রভু স্পেহাস্ত হইতে আমি পারিবো না কু ঈষৎ কুপিত ভাবে বলেন শঙ্কর বুঝিলাম তুমিহে নিতান্ত স্বার্থপর

0২৭ )

আপনা লইয়। ব্যস্ত মত্ত আত্ম সুখে তিলেক কাতর নহ পর ছুঃখ দেখে জ্ঞান হীন অভাগ। কলির নরনারী সন্মুখে পাপের জ্ৰোতে ভাসে সারি সারি ইহাদের পুতি যার দয়! মায়া নয় নিষ্ত,র চগাল তারে তপন্বথী কে কয়? কলির দৌরাত্মে ছন্ন হইল নংসার আবাল বণিত। বদ্ধ সব স্বেচ্ছাচার ব্রহ্মজ্জান ভান করি কিরে মূর্খ নর ইততভ্রষ্ট স্ততে। নষ্ট পুর্ন পর না করিয়া কম্ম এরা আগে ফল চায় স্থবক নারদাদি যাহা ধ্যানে নাহি পায় মোহ অতিক্রম করি হইবে মোহান্ত ন্বচ্ছন্দে বেদাস্ত পাঠ কর অবিশ্রান্ত নিক্ষাম হইয়। কর পর উপকার নাঁজানি ইহার বাড়। কাধ্য কিবা আর নীরবে তপশ্বী পুনং করিয়া প্রাণতি বদিলেন ব্ৃক্ষমূলে কুশাসন পাতি সারানিশি এই আন্দোলন মনে মনে চরমে নির্ধান লাভ লমাধি সাধনে নির্ধানের অর্থ এই জীবাঘ্াঁর ধ্বংস মিটে যায় অহ বুদ্ধি ঘুচায় বার্ধ্যংশ (৩)

(২৬9

কিন্ত তাতে কিবা সুখ না পাই ভাবিয়া | কোন সাধে চির-্থত্যু আনিব ভাকিয়া মত্যুঞ্জয় দান হয়ে রব তার দ্বারে

যমের হবেন! সাধ্য ছু ইতে আমারে যুগে যুগে জন্মে জন্মে আনন্দ অপার নিতি নিতি করিব পরের উপকার এইরূপে মোহাস্ত হইল যোগীরাজ | বাপার মানব মুস্তি সংসারে বিরাজ গগনে উঠিলে রবি রহে কবে ছাপা দেশে দেশে রটিল দয়াল বড় বাঁপা নর-নারী সারি সারি উপনীত মঠে হত্য। দেয় পূজা করে কেহ দণ্ডী খাটে কাদিয়া আইমে লোক ফিরে যায় হেলে দুর্মতি কুটিল গুলো পুড়ে মরে দ্বেষে নিরুষ্ট খলের এই নীতি চিরকাল যাচিয়! বান্ধব হয় বাধাতে জণ্জাল অপরের জন্য যেন কতই কাতর রাঁজপুরে বার্তী দিতে চলিল সন্বর

নগরের রাজ্যেশ্বর, বার মল নরবর, অসীম বিক্রম ন্যায়বান সামদানে সর্ব জিত," দণগডভেদ কদাচিৎ,

সদ। বাঙ্চ। প্রজার কল্যাণ

(২৭)

রাজ রাজ সিংহাসনে, পাত্র মিত্র মন্ত্রি মনে, রাজ কার্য করে আলোচনা

বুঝি গুভ অবসর, হটু দত্ত অগ্রসর, কেঁদে কয় প্রাণের যাতন]

যায় যাক্‌ ঘর বাড়ী, যাব তব রাজ্য ছাড়ি, ধন কড়ি করিনে প্রয়াম।

মরি মরি মহা কষ্ট, ধর্ম কর্ধ্দ হ'ল ভ্,

গোয়াল করিল জাতি নাশ

ফাট| নোঁড়া ছিল মাঠে, তিন ঠাই গেছে চটে, রাখাল কুটিত তায় ধান।

তাকেই দেবতা বলে, মুবুন্দ এনেছে তুলে, ঘোর ঘট! পুজার বিধান

ভুলিয়ে তাহার বোলে, এসে সব মেয়ে ছেলে, বেটা, বলে পেয়েছি ন্বপনে |

কি জানি কি ভেন্কি জানে, কত লোক পুজা মানে, কেহ হত্য। দেয় ধরামনে

ব্রাহ্মণের বৃত্তি গেল, গোয়ালা পুজারি হল, কালে কালে দেখিব বা কত।

দেবন্ধ থাকিত যদি, সদ্য হত মহাব্যাপি, কলিতে দেবতা নিদ্রাগত

হেন ঘোর অত্যাচারে, রাজ্য যায় ছারেখারে, আমর! মরিলে ক্ষতি নাই।

€২৮ ১) কিন্তু প্রাণ কেঁদে উঠে, রাজার অনিষ্ট ঘটে,

ছুটা ছুটি আসিয়াছি তাই

হটুর কাহিনী শুনি, মহ। কোপে নরমণি, জিজ্ঞাসেন নগর কোটালে |

পাপাঁচারী হলো প্রজা, শূদ্র করে দেব-পুজা, কোন্‌ প্রাণে একথা লুকালে ?

কোটাল ভয়েতে বলে, পইত পরেছে গলে, গেরয়া বসন পরিধান

দেখিয়াছি চৈত্র মাসে, _ দিন কাটে উপবাসে, আমি ভাবি ব্রাহ্মণ সম্ভান

কেদে পুনঃ কয় হটু, কোটাল ছলনা-পটু, জানি আমি ওর গুণাগুণ

প্রতিদিন মাঠে যান, সাধেন যাত্রীর দান, উনি পান ভাগ দুই গুণ

কেবল আমার উরে, লোক ভুলাবার তরে, দু-দিন এনেছে ভণ্ড যোগী

গলায় পইতা দিয়ে, বসেছে মোহান্ত হয়ে, বঞ্চকের ধূর্ত সহযোগী

এ-দীস সরল সোজা, শঠের চাতুরি বুঝা, নহে কু আমাদের কাজ।

ষ। কিছু জানে ভূত্যা, কহিল সরল নত্য

বুঝে কাজ কর মহারাজ

€২৯ )

রাষ্ট হলে! দেশে দেশে, গোয়ালার সঙ্গে মিশে, কোটাল করিল জাতি নাশ।

সে যদি নিক্ষুতি পায়, ডঙ্কা মেরে ঘরে যায় কে আর করিবে রাজ্যে বাস

কোটালের জোর ডঙ্কা, সকলেই করে শঙ্কা, সত্য কথা বলে কার সাধ্য

হিন্দুয়ানি অধোগামী, কেমনে দেখিবো৷ আমি, প্রাণ দ্দিতে হইয়াছি বাধ্য |

লোহিত লোচন বারমল্প নরমণি হটুর প্রত্যেক বাক্যে হইল বিশ্বাম। “ধরে আন্‌” আজ্ঞা মুখে হইল প্রকাশ গোপাধম মুকুন্দেরে বাঁধিয়া এখনি

সভায় নিস্তব্ধ ভয়ে অমাত্য সামন্ত স্ততি-বাদী ভউ বুঝি সময় উচিত। ক্রোধ উদ্দিপক ভাবে গাইল সঙ্গীত রাজার কলঙ্ক রাজ্যে থাকিলে দুরন্ত

বিধি প্রতিনিধি রাজা ধন্য ধরাতলে অপার্ধিব রাঙশক্তি অতি মনোহর | একাধারে শীত-উষ্ণ যথ! জলধর বারি বরিষণ সহ বজ অগ্নি সবলে

ডি ভি. .]]

নিরীহ শুশীল জিদ্ধ সুল্জ্র স্ুবিচারে | রাজদণ্ডে ছন্নভক্ন ছুরস্ত ছুম্ম্তি | শাম্তিদণ একযেগে অবারিত গনত্তি ঘুরে ফিরে রাজ্যময় প্রজা রক্ষা! তরে এদিকে মুকুন্দ ঘোঁষে করিল হাজির চৈত্রের গাজন হেতু উত্তরি গলায় বাড়িরাছে শোঞ্ড। আরে কুন্মমালায় চন্দনে চচ্চিত সেই চাষাঁর শরীর

সাক্ষীর অপেক্ষা নাই বলেন নৃপতি পইতা পরেছে বেটা এতে? অহঙ্কার শুলে দেহ দণ্ড ব্যবস্থা ইহার ভণ্ড মোহান্তেরে পুনঃ আন শীস্রগতি |

কেদে কেদে সুকুন্দ বলিতে কিছু চায়

কে শুনে তাঁহার কথা পিঠে ঢেক। মারে পায়েতে শিকল দিয়া ফেলে কারাগারে বাপার দোহাই দিলে দুনা মার খায়

মোহান্তেরে আনি রাজ চান পরিচয় তর্জন গর্জন দেখে হাসেন মোহাম্ত | তথাপি বুঝে ন। কিছু রাজা মতিভ্রান্ত 1 বলে বল্‌ কোথ। বাস কাহার তনয়

৩১ 9

আত্ম পরিচয় রাজ! জনমে জানি না। জড়পিওগ নরদেহ বাকশক্তি হীন জীবাঘ্ম। উন্মত্ত ভাব মায়ার অধীন পারি নাই পরমা করিতে চেতনা

বল মহারাজা ! “আর শুধাই বা, কারে 2১ জাঁতা পিত। ভাই বন্ধু পথিকের মত নকলেই আত্মঙ্গার। বিষম বিব্রত | পাতানে। সম্পর্কে কেব। কারে দর। করে?

যে অবধি জানিয়াছি ওরা কেউ নয়। ছেড়েছি ঘনিষ্ঠ ভাব যাইনা! নিকটে | পথে পথে ঘ,রিতেছি ভাগ্যে যাহা ঘটে জানি ন। ইহার বাড়া অন্য পরিচয়

মোহান্তের বাকা বাক্যে ম্বলিল ভূপতি আঁজ্ব1 দিল “বেডি দিয় দেহ কারাগারে | স্থবির ব্রাহ্মণ মন্তদ্রি কন ধীরে ধীরে বিচারের অগ্রে দণ্ড নহে শাস্ত্র নীতি

কোন্‌ দোষে দোষী এই ব্রাহ্গণ সম্ভান £ ক্গাম্ত হও, কারে দিতে চাও কারাদণ্ড £ কে বাধিবে ভূণ গুচ্ছে অনল প্রচণ্ড ব্রক্মতেজে ন্বর্ণরাক্স্য হইবে শশান

৬২ )

রাজা বলে বৃদ্ধ হলে বুদ্ধি লোপ পায় এ-যদি ব্রাঙ্গণ তবে কোথায় পইতা। £ পরিচয় দিতে কেন, মুখে নাই কথা কি দেখে ভুলিলে তুমি ভণ্ডের মায়ায়

সময় পাইয়া উঠে চাটুকার বটু জাতীয় ব্রাক্মণ কিন্তু গায়ত্রী বজিরতি। কানন ভোজন যাগে ইনি পুরোহিত মদিরা শোধনে আর বলিদানে পটু

গলায় পবিজ্র গ্রন্থি পইতা ত্রিগুণ ব্রাহ্মণ শুদ্রের এই ভেদাভেদ চিহ তাই যার নাই তার কিসের ব্রন্ষণয চিহ্ন না থাকিলে ষাড় হয় গাড়িটানা

অভেদ্য বচে যথা আবরিত দেহ পইতা থাকিলে কেহ করে ন। প্রহার শাপ বা ভিক্ষার কালে বড় দরকার এর গুণে চব্য চোষ্য চলে অহরহ

কে বুঝে যজ্ঞন্ত্রে কত উপকার কাক-ত্রাশ ধন্দু থা গৃহীর উঠানে পাকাটির শর বাধ! জ্বরাজীর্ণ ঘণে স্বস্থানে থাকিয়া করে কার্ষ্যের উদ্ধার

৬৩)

মন্তি বলে ধিক! কি জঘন্য তুলনা পবিত্র পবীত সহ কাক ত্রাশ ধন্দু ? মূর্খ বলে তুচ্ছ ধুল৷ রাম-পদ রেণু মানবী হইল যার অহল্যা ললনা 1

পবীতের প্রয়োজন প্রথম সাধনে আধারে আলোক যথা পথিকের করে রবির উদয়ে তাহা ফেলে দেয় দূরে সাধক রবির রবি দেখে তত্ব জ্ঞানে

তেজো পুঞ্জ জীবন্মুক্ত সিদ্ধ ব্রহ্মচারী সঙ্ষেতে দিলেন ইনি আত্ম-পরিচয় না ঠচিনিলে শালগ্রামে নুড়ি ভ্রম হয়। পোড়াইয়া চুণ করে অধম চুর্ণারি

হালিয়। বিদ্রপ ভাঁবে বলে পুনঃ বটু।

ঠিক ঠিক, ঠাকুর চিনিতে খুব পটু পেয়েছে গোয়াল! ভাল জীবন্মুক্ত যোগী মিলেছে পাথর টুকু তারি উপযোগী স্যাস দেব করেছেন ব্যাস-বারাণসী এখানে “মুকুন্দ__কাশী”” করিবে সন্স্যালী গাধ! হয় পরঙ্ন্মে তথ যদি মরে

গর্দভত্ব লাভ হেথা! সদ্য সশরীরে

৫৩৪)

মন্ত্ি বলে তোর মত যদি মুঢ়মতি আকারের গুণে গণ্য হয় নরজাতি তার চেয়ে ভাল বয়ং গর্দভ আকার গাছতলা ভাল থ্ৃহে দীপ নাহি যার রাখালের! ভোর মত পশু নরাকারে তাতেই কুটিল ধান দেব দেব শিরে পশুযমুর্তি কিন্ত ছেখ গোমাতা সুরভী | স্বেচ্ছায় ঢালেন ক্ষীর শিব শিরে দেবী তত্বজ্ঞানী ভরতেতর স্বগ কলেবর তোর চক্ষে পশু ভিনি তুই শ্রেষ্ঠ নর

মজ্সি মুখে শুনি এই আশ্চর্য কাহিনি বাগ্র হয়ে মঠ পানে ছুটে নরমণি সুরভীর কার্য তিনি দেখেন গুত্যক্ষে শুনিলেন “€তোম্‌ বোম্‌” ধ্বনি অস্তরীক্ষে গাজনে সন্ন্যাসী জুটিয়াছে দলে দলে। কেহ নাচে কেহ গায় কেহ মাথা চালে। হৃদয়েতে ভক্তিভর গলায় উত্তরি জালজীবী ক্লে মাল আদি ব্রক্ষচারী অন্য দিকে অনশনে কত নরনারী ভক্কিভাবে হত্যা দেয় গুষধ ভিখারী তার মধ্যে উঠিলেন জনেক যুবতী নিকটে শ্বাশুড়ী তারে বলিলেন সতী

৩৫)

দেখ মা ! স্বপনে বাপা দিলেন কি ধন। যতনে অঞ্চলে এই করেছি বন্ধন 1 স্নানাস্তে খাইতে হবে আজ্ঞা! আছে তার তাহলে রোগে তিনি পাবেন নিস্তার তাড়াতাড়ি শ্বাশুড়ী বস্ত্রের গ্রন্থি খুলে দ্রব্য দেখি সিহরিল, ভয়ে দ্িল ফেলে চক্র গোক্ষুর। সর্প, একি বিড়ম্বন। | বুঝিলেন সতী ইহা! বাপার বঞ্চনা অবশ্য চরণে হইয়াছে অপরাধ

তথাপি বিধবা হয়ে বাচিয়া কি সাধ বিশেষে বাপার আজ্ঞা লর্িবো কেমনে সর্পে ধরি পুন সতী বাধিল যতনে কোন মতে শ্বাশুডীর মান। নাহি মানে স্নান হেতু চলিলেন সরোবর পানে

ডুব দিয়া আর্জ বন্ত্রে অতি সকরুণে | বিদায় লইল নতী শ্বাশুড়ী চরণে বাচিবেন তিনি গে মা কৃপায় বাপার খেদ এই দেখিতে পাবোনা আমি আর ছাড়িয়া প্রাণের আশা খুলিল অঞ্চল | সর্পের বদলে দেখে সুমধুর কল

বুবিয়া বাপার ক্লূপা ভক্তিভরে সতী দগুকারে ভূমে পড়ি করে স্ভতি নতি

৩৬ 9

বার-মল দেব লীল। দেখি আদ্যোপান্ত দুরে গেল রৌদ্রভাব ভক্তিভরে শান্ত কিন্তু ভাঁবে ধৃভুরার ফোঁকে শুলপাণী এলেন গোপের কাছে ছাড়ি রাজধানী নগরে বিবিধ ভ্রব্য যোগায় পসারী

কি সুখে আছেন মঠে বুঝিতে না পারি | এত দিনে বুঝিলাম ঠিক ক্ষেপা বটে তিনকাল গেছে তবু বুদ্ধি নাই ঘটে ইতর গোয়াল জাতি ছুঁতে স্বণা হয়| ঠাকুরে রাখিবে ঘরে কার প্রাণে সয় ? কিজানে পুজার বিধি কিবা তার জ্ঞান ইতরের ম্পদ্ধা দেখে স্বলে উঠে প্রাণ রাঙজা। আমি এস্থানে আমার অধিকার কে রাখে বাপারে হেখ। অমতে আমার নগরে থাকুন প্রভু যথা প্রাণ চায় বেদজ্ঞ ব্রান্ষণ রবে নিধুক্ত পুজায়

কত ভক্তি করে গোপ কি আছে সম্বল। দ্ুবেলা সুটেন৷ অস্ন শয্যায় কম্বল

আমি দিব চিনি ছান। দধি দুগ্ধক্ষীর | গদাজলি শাল দিয়ে ঢাকিব শরীর খুসি হবে দেখিলে সুন্দর গ্রীমন্দির |

পুরী বেড়ি দ্িবে। উচ্চ ইটের প্রাচীর

৩৭)

প্রাতীবেশী রাধাকান্ত রাধারাণী নহ | নদালাপে শান্তি স্বখে রবে অহরহ মা, বদি আসেন সঙ্গে হয় তার দয়া চিনি তারে তিনি কাত্যায়ণী মহামায়। | ভক্তিভাবে নিত্য তার যোগাইবেো পুজা | প্রাণভরি নয়নে দেখিবো দশ ভঁজা সেবার হবেনা ক্রটি কহিলাম মত্য তবে কিনা ঘটিবেশ৷ পশু বলি নিত্য যদি বুজ বাধে পা মোগল বিপক্ষ | শ্বহস্তেতে নর-বলি দিবো লক্ষ লক্ষ চপল রাজন গৌণে, ভাবিল সম্মতি মৌনে, আত্ঞ। দিল উঠা ঠাকুর | লইয়া কোদালি ঝোা, লেগে গেল শত কোনা, চারি দিকে খুড়িল গাচুর

গহ্বর হলো গভীর, ভপূতির চক্ষ শির, দেখিতে না পায় লিঙ্গ মুল বতই উঠায় মাটি, পাতালেতে পরিপাটি,

ততই দেখিল অঙ্গ চুল |

জুল দেখি কোডা ভাগে, ভূপতি আপনি লাগে, ভক্তি ঈষধ। বিষম বালাই

ভাষিয়া নয়ন জলে, বড় অভিমানে বলে, পক্ষপাৎ কিহেতু গোশাএঞগী (৪ )

কি ক্রটি করিনু কবে, কেন গোয়ালার হবে, কোন্‌ গুণে তারে এতো তুষ্ট তবে কেন রংজ্য দিলে, বিড়ম্বন! বাড়াইলে,

বাক্যবাণে ব্যথা দিবে দুষ্ট |

বুঝেছি তোমার কাধ্য, প্রির ভক্তে দেও রাজ্য, না রাখিবো পাঁপ পরাণ

গজ্ঞাপুগ্জ করপুটে, তার কাছে যায় ছটে, কেবা সহে এত অপমান

তরে দিলে ভিত-শক্তি, সবাই করিবে ভক্তি, আঁমি হবো জগতের বৈরি

চাপিয়া মনের ব্যথা, ভয়ে নোগাইবে মাথা, ধিক ধিক হেন দশ্য গিরি

অভিমানে নরপতি পড়িল ভঁতলে জন্নজল ত্যাথ করি মুদিল নয়ন

স্বপন আবেশে দেখে ঘোর নিশাকালে উপনীত রষভ বাহনে পঞ্চানন

বলিলেন কেন বঙন হেন অভিমান কেমনে বুঝিলে আমি গ্োয়ালার কেনা মাঠে মঠে ঘটে পটে নর্কত্র মান স্থানের মাহাত্যু রুথা, দুঢ ভক্তি বিনা

সত

& ১. ৩৯ )

ওতপ্রোত ভাবে আমি ব্যাপ্ত চরাঁচর কিন্ত এই মধ্য মাঠে সংপ্রতি প্রকাশ নতুবা বুঝিবে কেন ক্ষীণ বুদ্ধি নর ? নিরাক।র ভাবি হয় মানস উদাস

কিন্তু বস ! তুমিও সামান্য মুর্খ নও 1 শুনিয়াছে। মম দেহ অনাদি অনন্ত তথাঁপি আমার মূল উপাড়িতে ঢাঁও নীরব যাহার তন্তে অভান্ত বেদান্ত

বিরাট শরীরে মম প্রতি লোম কুপে ধর নহ নবশ্রহ ব্রহ্গাণ্ড বিপুল

বেণটি কোটি বিপ্র আমি ধরি এই রূপে কেমনে পাইনে তুমি মম আদ্য মূল

যাও বাছ। ! ঘরে বাও চিত্ত কর শ্হির। ভর্েভাবে পুজা! কর পাইবে জামারে মুকুন্দ মোহান্ত ছুই আমার শরীর

ভেদ বুদ গেলে তুমি বুঝিবে তা, পলে

ঘুচিল মনের ধাঁধা উঠিল নৃপত্তি |

বুঝিল সকলে মিথ্যা, ভক্কি মাত্র মূল মুকুন্দে মোহান্তে উকি করে স্তিনতি হটু ভাবে মল-রাজ হইল বাল £

€৪০ )

সুরম্য মন্দির হলে দিব্য সরোবর সেবায় নিযুক্ত যত ব্রাক্ষণ মগ্ডলি দোকানী পসারী আনি বসিল বিস্তর রাজ সাজিলেন বাপা* ফেলে ছেড়া ঝুলি

শুল অশ্র বাঘছাল বাজন। ডমরূ |

এই মাত্র পুঁজি পাটা গাছতলা সার বাহন নম্পদ ছিল বুড়া এড়ে গরু জুটিলে ভিক্ষার চাল দিনান্তে আহার

অভাব ভাবির ঘৃচাইতে দৈন্যদশা যোগাইল মিরাজ নানা রত্র মঠে বিভৃষণ বিষয় বিষে তবু ভক্ত আশা! পুরণ করিতে বাপ ঠেকেন সঙ্কটে

যাত্রা কালে ব্লষগজ উভয়ে হাজির বিচিত্র আমারি পিঠে উন্নত আসন শুণ্ড দোলাইয়৷ গজ গরজে গভীর ভীত চিত বদ্ধ বধ নঞ্জল নয়ন

দুরে থাকি নঘনে বাপার পানে চায় সঙ্গেতে চরণে যেন করে নিবেদন দীন হীন বলিয়া কি ঠেলিবেন পায় তবে আর কে বলিবে, কাঙ্গাল রগ্ন

( ৪১ )'

নান! স্তানে নানা জনে, হত্যা দেয় অনশনে, ভক্তিভাঁবে গড়াগড়ি যায়

দুই দ্রিনে কেহ উঠে, যন্ত্রে লয়ে করপুটে, স্বপ্ন-দত্ত নিধি যাহ! পায়

হত্যা দেন রাজরাণী, পার্থে তার কাঙ্গালিনী, নংবাদ ন! জানে কেহ কার

কেহ নাই মধ্যবস্তী, কারো নাই প্রতিপত্তি, ধন্য রে বাপার দরবার

নিরাশ ন। হয় প্রায়, হাস্য সুখে ফিরে যায় মরি কিবা দয়ার নাগর।

কেবল ভক্তির কেনা, বুঠে পঙ্গু নাহি মানা, পাপী তাপী কেহ নহে পর

জীর্ণ শীর্ণ ক্লি্টকায়, অধিকাংশ দেখা দায়, রোগীর দেবতা ভক্তি বেশী

দৈবে এক দিন দেখি, পুলব তী শশী মুখী, মাত সহ উপনীত্ত আনি

ভক্তি ভাবে স্নান ঝরি, বাপার চরণ ল্ম্ি, মন্দগতি জীমন্দিরে যার |

করিয়া শত প্রণতি, মজ্জল অঞ্চল পাতি, ভক্তি মতি পত্তিতা ধরায়

ধোডশী সুবর্ণলতা, রূপে আলো পতিব্রতা, মাননে ধরিয়া শ্রীচরণ

হৃদয় মন্দিরে আনি, বলিছে মধুর বাণী” ভক্তিভাবে নুদিয়। নয়ন

মব জান অন্তর্যামী, কু-সঙ্গে পতিত স্বামী পাপ মুখে বলি বা কেমনে